Post-1 ।।১।। “...ডুবতে রাজি আছি” “হ্যাঁ, হ্যালো! জানো, অসাধারণ দৃশ্য। আমি একশো শতাংশ নিশ্চিত যে এখানে আমি অনেক উপাত্ত পেয়ে যাব। আর জানো, আমি যদি এই ফুলগুলোর নমুনা নিয়ে কাজ করি, তাহলে আমি কত মূল্যবান গবেষণাপত্র লিখতে পারব!... সে আমার জানা নেই। এখানে শুধু তানিয়া আর ধীমান আছে। বাকিরা বোধ হয় অন্যদিকে গেছে।” মিলা ফোনটা করেছে ও র বাবাকে। হড়বড়িয়ে কথা বলছে। কি যে বলে সে নিজেই জানে। মোট কথা, মিলার কাছে নতুন যা তথ্য আছে, সবই তার বাবাকে দিতে হবে। মিলাদের গবেষণার দলটা তাড়িপুর ইকোপার্কে এসেছে নমুনা সংগ্রহে। গত চার বছর ধরে ও নিজের প্রোফাইল আপডেট করেনি। গাইড পাচ্ছেনা ঠিকঠাক। জাতীয় একটা কর্মশালায় ওর গবেষণার বিষয়বস্তু বেশ প্রশংসিত হয়েছে। কর্মশালার গবেষক বিশেশজ্ঞ্ররাই ওকে আর ওর মতো আরও চারজনকে গাইড করছেন। পরামর্শদাতা আর শিক্ষানবিস মিলিয়ে মোট ৯ জন। মিলার কাজ হল ফুলের পাপড়ির বিন্যাসের ওপর গবেষণা করা। এসময়টা খুব একটা শীত নয়; খুব একটা গরমও নয়। আশেপাশের গাছগুলো থেকে দারুণ গন্ধ ভেসে আসছে।পাখিগুলোও এসময় গাইয়ে হ’য়ে ওঠে। অনেক বেলা হল বলে ওদের কোনও অজুহাত থাকে না।...